কুড়িগ্রাম প্রা. জেলা শিক্ষা অফিসার এনামুল হক ফের স্বপদে বহাল হবার সম্ভাবনা

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ ফের কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ইতোপূর্বের ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে স্বপন কুমার রায় দায়িত্ব গ্রহনের পর তার অদক্ষতা ও অনিয়মের কারণে অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছিল। পরবর্তীতে জেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে এনামুল হক দায়িত্ব গ্রহনের পর প্রশাসনিক কাজে স্ব”ছতা ও গতিশীলতা ফিরে আসে। এমতাব¯’ায় আবারো দেন-দরবার করে সেই স্বপন কুমার রায় কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে যোগদান করায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তথাকথিত সেই সিন্ডিকেট ঘাটি গেরে বসেছে। ফলে পূর্বের ন্যায় আবারো জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রমে ¯’বিরতা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি অবগত হবার পর উদ্ধর্তন কর্র্তৃপক্ষ ছুটিতে থাকা  কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার এনামুল হককে তার স্বপদে বহাল রাখার জন্য ব্যব¯’া নিতে যা”েছ মর্মে একটি ঘনিষ্ঠ সুত্র জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনামুল হক ছুটিতে। ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম শাহজাহান সিদ্দিকী। অপরদিকে নীলফামারীর সহকারি জেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী গত ২৫ জানুয়ারি কুড়িগ্রামে জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে যোগদান করে বসে আছেন কাজ নেই। এ অব¯’ায় শিক্ষক ও কর্মকর্তারা পড়েছে বিপাকে। ফলে কার নির্দেশে চলবে অফিস, এনিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। চলছে রশি টানাটানি। শিক্ষক নেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে গ্রুপিং।
এনিয়ে কথা বলা হয়- ছুটিতে থাকা কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার এনামুল হকের সাথে। তিনি বলেন- কুড়িগ্রামের হ-য-ব-র-ল শিক্ষা ব্যব¯’া ঢেলে সাজানো হয়েছে। ফিরিয়ে আনা হয়েছে শৃঙ্খলা। তথাকথিত সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে ফিরে আসে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ। এমন সময় এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতায় আমার পদ শুন্য না করেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই স্বপন কুমার রায় চৌধুরীকে কুড়িগ্রামে সংযুক্ত করে শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করানো হয়েছে। এতে করে দুষ্ট লোকেরাই লাভবান হবে। ক্ষতিগ্র¯’ হবে কুড়িগ্রাম জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান। শিক্ষ ও প্রশাসন বন্দি হবে চিহ্নিত ঐ সিন্ডিকেটের হাতে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মেলে। প্রয়োজনীয় ব্যব¯’া গ্রহণের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
স্বপন কুমার রায় চৌধুরী জানান, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা ও মনগড়া। আমার বর্তমান বদলীর আদেশ ভুল হলেও তা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। উল্টো তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন-কারো ক্ষমতা থাকলে আমাকে বদলী করে দিক।

Share This: