রমনা ইউনিয়ন পরিষদে সবুজের বিপ্লব

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের কোল ঘেঁষা রমনা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে সবুজের বিপ্লব ঘটেছে। রমনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজগার আলী সরকার দায়িত্বভার বুঝে নেয়ার পর থেকে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের ছাদ এবং নীচের খালি জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে সকলের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। তিনি প্রতিদিন সকালে এসে প্রথমেই নিজ হাতে রোপনকৃত গাছ-গাছরার পরিচর্যা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের ছাদ এবং নীচের খালি জায়গায় দেবদারু ৮০টি, মিষ্টি কুমড়া ৬০টি, স্কস ৫৫টি, পেঁপেঁ ৮০টি, তরমুজ ১০টি, টমেটো ৩০টি, করলা ১শ’টি, উন্নত জাতের মরিচ ২শ’টি, ষ্টবেরী ৪টি, ড্রাগন ফ্রুটস ২টি, সিম ৪টি ও লাউয়ের গাছ ৪টি লাগিয়েছেন। এছাড়াও ১শতক জমিতে গাঁজরের চাষ করেছেন। আরো রয়েছে দৃষ্টি নন্দন ফুলের বাগান। ইতোমধ্যে মিষ্টি কুমড়ার গাছে ফল ধরতে শুরু করেছে। ছাদে উৎপাদিত প্রথম মিষ্টি কুমড়াটি চিলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবীক্রমের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই মিষ্টি কুমড়া সহ যাবতীয় উৎপাদিত পন্য এলাকার গরীব জনগন সহ  সবার কাছে পৌছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল রমনা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান আজগার আলী  ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের ছাদে গাছের পরিচর্যা করছিলেন। এসময় তিনি গাছ পরিচর্যার ফাঁকে ফাঁকে এ প্রতিবেদককে  জানান- আমরা যদি এতোটুকু উদ্যোগী হতে পারি তাহলে প্রত্যেকে সার-কীটনাশক বিহীন পদ্ধতিতে চাষকৃত সবজি খেতে পারি। এই উদাহরণটি আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণকে দেখার জন্য আমি নিজ অর্থায়নে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেই। আমার গৃহীত উদ্যোগটি সফল হতে চলেছে।
এব্যাপারে চিলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবীক্রম এ প্রতিনিধিকে বলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে  মোঃ আজগার আলী সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর সে ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে এবং খালি পতিত জায়গায় গাছ লাগানো এবং সবজি চাষাবাদের বিষয়টি জেনে আমি ভিষন খুশি হয়েছি। সেখান থেকে আমার বাড়িতে একটি মিষ্টি কুমড়া পাঠিয়েছে। আমি মনে করি রমনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজগার আলী সরকারের মতো আমরা সকলেই যদি এমন উদ্যোগ নিতে পারি তাহলে এই দেশটি সত্যিকারের সোনার দেশে পরিণত হবে।

Share This: