বিব্রত তাসনিয়া ফারিণ

হঠাৎ করেই বেশ কিছু কাজ দিয়ে আলোচনায় আসেন তরুণ অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তার জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথেই তার নামে ফেসবুকে তৈরি হচ্ছে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও ফ্যান পেজ। শুধু তাই নয়, এরইমধ্যে এই অভিনেত্রীর নামে এক ভুয়া অ্যাকাউন্ট ভেরিফাইডের জন্যও আবেদন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
কাজের ব্যস্ততায় ফারিণ কোন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করলেও তার একটি ফ্যান পেজ রয়েছে। সেখানে তার অনুসারী মাত্র কয়েক হাজার। ব্যস্ততার কারণে ভুয়া আইডিগুলো বন্ধ করানোর ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। সম্প্রতি হ্যাকড হয়ে যায় ফারিণের সেই ফ্যান পেজ। অভিনেত্রীর অভিযোগ, সেসব পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত তার কাজের প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। এ নিয়ে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে তাকে।
ফারিণ বলেন, ‘গত বছর রোজার ঈদের পর আমার বেশ কিছু নাটক দর্শকের ভালো লাগে। সেই থেকে আমার ফেসবুক পেজ এবং আইডিতে ফ্রেন্ড এবং ফলোয়ার বাড়তে থাকে। তখন আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়। পরে ফ্যান পেজটিও বেহাত হয়ে যায়, যেটা এখনো আমি ফিরে পাইনি। এদিকে আমি কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ায় ফেসবুকে অনিয়মিত হয়ে পড়ি। এই সুযোগে একটা গ্রুপ আমার নামে একাধিক আইডি খুলে ব্যবহার করছে। দিন দিন ফেসবুকে আমাকে নিয়ে মানুষ কনফিউজড হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুটিং করার সময়ে আমার কাছে একটি ফোন আসে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে একটি ফেসবুক পেজের বর্ণনা দিয়ে জানতে চান, সেটা আমার পেজ কি না। সঙ্গে সঙ্গে বলেছি যে সেটা আমার নয়। তখনই বুঝতে পারি যে কেউ আমার নামে ফেক আইডি ব্যবহার করছে।’ শুধু তা–ই নয়, তাঁর নামের একটি আইডি থেকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে, যেন তাঁর নামের সব পেজ মুছে দেওয়া হয়। ‘ভুয়া ফেসবুক নিয়ে বেশ কিছুদিন খুব ঝামেলায় আছি। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বিপদে পড়ছি। এই ভুয়া ফেসবুক আইডিগুলো আমাকে খুব জ্বালাচ্ছে। আমার পেজটা ভেরিফাই করা এখন জরুরি হয়ে গেছে’, বলেন ফারিণ।
‘গত বছর আমার ফেসবুক পেজ হ্যাক হওয়ার পর থানায় জিডি করে রেখেছি। কখন কোন বিপদ হয়, বলা তো যায় না। কোনো ঝামেলা হলে যেন আমার কোনো দোষ না থাকে, এ জন্য জিডি করেছি।’- যোগ করেন এই অভিনেত্রী।

Share This: