দারিদ্রের কবলে পাঁচ লাখ মানুষ

বাংলার মানুষ রিপোর্টঃ চালের দাম বৃদ্ধির কারণে দারিদ্রের হার বেড়েছে ০.৩২ শতাংশ। এ বছর চালের উচ্চমূল্য দারিদ্র্যের কবলে পড়েছে ৫ লাখ ২০ হাজার মানুষ, এমন তথ্য দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং’ (সানেম)। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে ‘সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং’-সানেম’র অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৭ সালের প্রথম তিন মাসে যে পরিমাণ চাল আমদানি হয়েছে, তা ২০১৬ সালের অর্থবছরের সব আমদানির প্রায় ৫ গুণ।

পর্যালোচনায় সানেম কর্তৃপক্ষ বলেছে, চাল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত চুক্তি করা দরকার। ব্যাংকিং খাতে কেলেঙ্কারি অন্য ব্যবস্থাপনার দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাকে দায়ী করা হয়। সংশোধিত ব্যাংকির খাতের ভঙ্গুর অবস্থা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাকে ব্যাহত করছে। আশঙ্কা করা হয় সরকারি বিনিয়োগ বাড়লেও, ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়ছে না। ২০০৮-০৯ অর্থবছরের মোট বিনিয়োগের মধ্যে সরকারি বিনিয়োগের অবদান ছিল সাড়ে ১৬ শতাংশ, আর এখন তা এক চতুর্থাংশর বেশি। অন্যদিকে কমছে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি। চামড়া খাতকে বছরের পণ্য হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও, এ পণ্যের রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ ভাগ।
সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, আমরা অর্থনীতি মডেল ব্যবহারের মাধ্যমে হিসেব করে দেখেছি – ’চালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দারিদ্র্যর হার বেড়েছে’। চালের দাম বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাড়ছে। সুতরাং বাংলাদেশে চাল আমদানি করতে সামনের দিনগুলোতে একটা চাপ থাকবে। কম মূল্যের চাল আমদানি করার সুযোগ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। প্রথম চ্যালেঞ্জটা হলো সামনের বছরগুলোতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকে আরো স্তব্ধ করে দিবে। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটা হলো রাইজিং ফুড ও মুদ্রাস্ফীতি।

Share This: