চিলমারী উপজেলা মৎস্য অফিসের অধিনে দু’টি প্রকল্পের কাজ শেষ হতে চলেছে

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা মৎস্য অফিসের অধিনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের আওতায় ৪টি বড়পিট খনন এবং জলাশয় সংস্কার প্রকল্পের আওতায় চিলমারী ডিগ্রী কলেজের পুকুর পুনঃ খননের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এখন চলছে ফিনিশিং ওয়ার্ক।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে- বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের আওতায় চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ধারে আবুলের বাড়ী থেকে আজগারের বাড়ী পর্যন্ত, ছয়ফুলের বাড়ী থেকে আজগারের বাড়ী পর্যন্ত, রমনা ইউনিয়নে জয়নাল মাষ্টারের বাড়ী থেকে ফরিস মাষ্টারের বাড়ী পর্যন্ত এবং পাত্রখাতা এলাকার কাশেম মেম্বারের বাড়ী থেকে ফুল মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত বড়পিট খনন সহ পাড় বাধার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে চলেছে। এছাড়াও জলাশয় সংস্কার প্রকল্পের আওতায় চিলমারী ডিগ্রী কলেজের পুকুর পুনঃ খননের কাজও প্রায় শেষ হয়েছে।
গতকাল রোববার পাত্রখাতা এলাকার কাশেম মেম্বারের বাড়ী থেকে ফুল মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত বড়পিট খনন সহ পাড় বাধা এবং চিলমারী ডিগ্রী কলেজের পুকুর পুনঃ খননের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা গেছে- দু’টি কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে চলেছে। এই দু’টি স্কিমের দলনেতা আনিছুল ইসলাম এবং আজিজুল হকের সাথে কথা হলে তারা জানান- আমাদের কাজ ৯০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই সমাপ্ত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
চিলমারী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান রানা জানিয়েছেন- দু’টি প্রকল্পের কাজগুলি যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায় এ জন্য আমরা ভূমিহীন সমিতিগুলিকে তাগাদা দিয়ে আসছি। আমাদের চেষ্টা সফল হতে চলেছে।
এব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান- চলমান প্রকল্পের কাজগুলি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুঝে নেয়ার জন্য আমরা জোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

Share This: