কুড়িগ্রাম ধরলা সেতুর ইজারা মুল্য যাচাইয়ের জন্য পঞ্চম দফায় দরপত্র আহ্বান

11.8-7বিশেষ প্রতিবেদকঃ কুড়িগ্রামের ধরলা সেতুর ইজারা মুল্য যাচাইয়ের জন্য চতুর্থ দফায় আহ্বানকৃত দরপত্র বাতিল করে পঞ্চম দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।
সুত্র জানায়- কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগাধীন কুড়িগ্রাম-নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী সড়কের ৩য় কি. মিটারে অবস্থিত ধরলা সেতুর উপর দিয়ে চলাচলরত যানবাহন হতে মাশুল (টোল) আদায়ের জন্য ইজারা কোটেশ বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করা হয়েছে ৫ম বার। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আহ্বানকৃত দরপত্রে কোন দরদাতা অংশ নেননি। চতুর্থ দফার দরপত্রে অংশ নেন মাত্র ৩ জন দরদাতা। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দরদতার দর ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতার দর ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর গত বছরের দর ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। যদিও গত বছরের তুলনায় এ বছর দর বেশী হাকানো হয়েছে, তথাপি ইজারা মুল্য যাচাইয়ের  জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চতুর্থ দফার আহ্বানকৃত দরপত্র বাতিল করে ৫ম দফায় দরপত্র আহ্বান করেন। ৫ম দফায় আহ্বানকৃত দরপত্রের সিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ আগষ্ট। এর একদিন পর অর্থাৎ ১৭ আগষ্ট দরপত্র দাখিল ও খোলার দিন নির্ধারণ করা  হয়েছে।
এব্যাপারে কুড়িগ্রাম সড়ক ও  জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বকরত মোঃ খুরশীদ আলম দৈনিক বাংলার মানুষ পত্রিকাকে জানান- প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আহ্বানকৃত দরপত্রে যদি কেউ অংশ নিতেন তাহলে চতুর্থ দফায় আহ্বানকৃত দরপত্র বাতিল করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কিন্তু পর পর তিনটি দরপত্রে কেউ অংশ না নিয়ে চতুর্থ দফায় আহ্বানকৃত দরপত্রে মাত্র ৩জন দরদাতা অংশ নেয়ায় ইজারামুল্য নির্ধারণ যাচাইয়ের কোন সুযোগ ছিল না। যার ফলে আমরা চতুর্থ দফায় আহ্বানকৃত দরপত্র বাতিল করে ৫ম দফায় দরপত্র আহ্বান করেছি।
তিনি আরো বলেন- ইতোপূর্বে এজাতীয় ইজারা দরপত্র ৮/৯ বার করে আহ্বান করার রেকর্ড রয়েছে। আর ইজারা মুল্য যাচাইয়ের একমাত্র উপযুক্ত পন্থা হচ্ছে- দরপত্র পুন:বার আহ্বান করে দর যাচাই করা। আমরা সেই পন্থা অনুসরণ করেই ৫ম দফায় দরপত্র আহ্বান করেছি।

Share This: