কুড়িগ্রামে অবৈধ মাদকের বিস্তার রোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস তৎপর

images 05ষ্টাফ রিপোর্টারঃ কুড়িগ্রাম জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস অবৈধ মাদকের বিস্তার রোধে ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। গত ১২ জুন পরিদর্শক রায়হান আহমেদ খান’র নেতৃত্বে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক সহ দেড়মন গাঁজা উদ্ধারের পরদিন গত ১৩ জুন অপর একটি অভিযানে উদ্ধার হয় ৬ কেজি গাঁজা, তিনটি পুরাতন বাইসাইকেল। এ ঘটনায় আটক করা হয় দু’জনকে। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসের সহকারী উপ-পরিদর্শক সুনীল চন্দ্র দাশ।
জানা গেছে- গত ১৩ জুন বেলা ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস’র সহকারী উপ-পরিদর্শক সুনীল চন্দ্র দাশ’র নেতৃত্বে একদল সিপাই কুড়িগ্রাম শহরের পুরাতন পশুর হাসপাতাল মোড় এলাকায় ওঁৎপেতে থাকে। এসময় কাঁচামাল ব্যবসায়ী বেশ-ভুষায় তিন বাই সাইকেল আরোহী গাঁজা বহনকালে তাদের মধ্যে দু’জনকে আটক করে এবং একজন সাইকেল ফেলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর থানায় সহকারী উপ-পরিদর্শক সুনীল চন্দ্র দাশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করে। পরে আটককৃত দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। আটককৃতরা হলেন নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিণ রামখানা সরকারটারী গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের পুত্র মোস্তাফিজার রহমান (৩৫) এবং অপরজন হচ্ছেন- পাশ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর এলাকার মৃত কছিম উদ্দিনের পুত্র শাজাহান আলী (৫০)। দায়েরকৃত মামলার অপর তিন আসামী হচ্ছেন- ঘটনাস্থল থেকে পলাতক গাঁজা বহনকারী সফিকুল ইসলাম (৩৯), গাঁজার মহাজন মহির উদ্দিন (৪০)  ও আইয়ুব আলী (৪১)।
কুড়িগ্রাম জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সহকারী পরিচালক নবাব আলী দৈনিক বাংলার মানুষ পত্রিকাকে জানান- আমাদের চৌকস পরিদর্শক রায়হান আহমেদ খান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক সুনীল চন্দ্র দাশ’র নেতৃত্বে পৃথক দু’টি অভিযান সফল হবার ঘটনায় আমি খুশি হয়েছি। এ জাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য বিরোধী অভিযান আমাদের অব্যাহত থাকবে। আমাদের চলমান কার্যক্রম দেখে ডিসি স্যারও খুশি হয়েছেন।

Share This: