করোনা মোকাবিলায় মিলনের ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা ভাইরাস এর প্রচার শহরের তুলনায় গ্রামে কম। আবার ঢাকা ফেরত মানুষ যার বেশির ভাগই থাকছে গ্রামে।নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চলছে অনেকটা নিজের মত করে।তাই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে গ্রামের চিন্তাই বেশি।।করোনা পরিস্থিতিতে সচেতনতা বাড়াতে মোঃ আমিনুল ইসলাম মিলন (৩০) পিতা- মোঃ আব্দুল মজিদ গ্রামঃ খামার আন্ধারীঝাড় ডাকঘরঃ আন্ধারীঝাড় উপজেলাঃ ভূরুঙ্গামারী জেলাঃ কুড়িগ্রাম পেশাঃ আইটি ব্যবসা। এই যুবকের ব্যতিক্রম ধর্মী পথ প্রচারনার নিজস্ব উদ্যোগ সর্বত্রই নজর কেড়েছে

ওই যুবক নিজের মাথার উপর কল্পিত করেনা ভাইরাস আকৃতির প্রতিচ্ছবি, মোটর বাইকের নাম্বার প্লেটের উপরের অংশে, পরিধেও গেন্জির সামন পিছনের বিভিন্ন অংশে করোনার সংক্রমন বাচাতে লেখা রয়েছে বিভিন্ন শ্লোগান আর নিয়ম মেনে চলার না- নামুখী নির্দশনা।যা মানুষের হৃদয়ে দাগ কাঁটে। তিনি বলেন করোনা নিয়ে আমি ছুটে চলেছি গ্রাম থেকে গ্রাম, শহর থেকে শহরে । মাঠ পর্যায়ে মানুষকে সচেতন করতে।

আমি এই উদ্যোগ গ্রহন করি। আমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সেচ্ছাসেবী সংগঠন সাথে জড়িত ছিলাম এবং আছি ও কাজ করে যাচ্ছি। কুড়িগ্রাম এর উন্নয়ন ভাবনার প্লাটফর্ম সম্ভাবনার কুড়িগ্রাম এর এডমিন আমি। সারা বিশ্বে যখন করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করেছে আমি আর হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে পারলাম করোনা ভাইরাস এর প্রতিকৃতি আমার হেলমেট এ, গেঞ্জি প্রিন্ট, মোটরসাইকেল এর ফ্লাগ নিয়ে আমি, কুড়িগ্রাম জেলার ৭ টি উপজেলা, লালমনিরহাট সদর উপজেলা, রংপুর জেলার ৩টি উপজেলা, নীলফামারীর ২টি উপজেলা এবং দিনাজপুর সদর উপজেলা ও ঠাকুরগাও সদর উপজেলা সহ আমি করোনা মোকাবিলা সচেতনতা প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি।

এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে গ্রামের মানুষ করোনা ভাইরাস সম্পর্কে খুব একটা সচেতন না। আমার ক্ষুদ্র চেষ্টায় মানুষ যদি একটু সচেতন হয় এতেই আমার তৃপ্তি। আমার এ কার্যক্রম চলছে চলবে। সচেতন হই, সচেতন করি। বাইরে নয়, ঘরেই থাকি,নিরাপদে থাকি।
সুন্দর আগামীর জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ রাখি। সেই সাথে সহৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আমার ছোট্ট একটি আবদার আপনারা জানেন যে কুড়িগ্রাম খুবই অভাবী এলাকা পারলে গরীব মানুষ যারা দিনে এনে দিনে খেত সেই মানুষগুলোর পাশে দাড়াবেন প্লিজ।

Share This: