উলিপুরের কদমতলা উচ্চ বিদ্যালয় ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের প্রাচীন বিদ্যাপিঠ কদমতলা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি আজও স্বমহিমায় তার গৌরবজ্জল ভূমিকা অক্ষুন্ন রেখেছে। ১৯৪৯ সালে ৩ একর ১৯ শতক জমির মধ্যে গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ স্বর্গীয় অনিল চন্দ্র ভাদুরী। তার হাত ধরেই এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সুনামের চুড়ায় অবস্থান করে। বর্তমানে তারই ছাত্র মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরকার প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির হাল ধরেছেন। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন অত্র এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি মোঃ নুরুল আনাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ গোটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে ডিজিটালাইজ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে ল্যাবটপ ক্রয় করে প্রতি তিন মাস পরপর লটারীর মাধ্যমে শিক্ষকদের মাঝে বিতরণ করছে। এতোমধ্যে তিনজন শিক্ষককে ল্যাবটপ প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষকদের মাঝে ল্যাবটপ প্রদান করা হবে বলে বিদ্যালয় সুত্র জানিয়েছে।
সবুজে ঘেরা বিদ্যালয়টিতে রয়েছে প্রশ্বস্ত খেলার মাঠ। আছে ঐতিবাহী পুরাতন ইমারত অবকাঠামো। অতি সম্প্রতি এ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে মোঃ রোস্তম আলীকে নিয়োগ দেয়ার ঘটনার গায়ে রং মাখিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, সরেজমিনে গিয়ে তার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ রোস্তম আলীকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ রোস্তম আলী হচ্ছেন দলদলীয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরকার হচ্ছেন থেতরাই ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পর্কে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান- বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অত্র এলাকার একজন ধর্ণাঢ্য পরিবারের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। তিনি সহ আমরা সবাই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। একটি স্বার্থনেষী মহল অবৈধ ফায়দা নিতে না পেরে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির গৌরবজ্জল ভাবমূর্তির গায়ে কালিমা লেপন করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।
একই প্রসঙ্গে কথা বলা হয়- উলিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রবের সাথে। তিনি বলেন- তাৎক্ষনিকভাবে আমরা পাঁচজন প্রশ্নপত্র তৈরী করে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েছি। ওখানে কোন ধরণের অনিয়ম হয়নি।

Share This: